দিনের শুরুর হতাশা, দিনশেষে ঝরে গেছে মুশফিক-মিরাজের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে। এ দুই ব্যাটসম্যান যখন ২২ গজ ছাড়ছেন, তখনো বাংলাদেশকে পাড়ি দিতে হবে আরো ৩৬৫ রান। ফলোঅনের শঙ্কাও চোখ রাঙাচ্ছে, কিন্তু এসব এখন আর অসম্ভব মনে হচ্ছে না।
প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানরা বিদায় নিলে মিরাজকে নিয়ে ইনিংস গড়ার দায়িত্ব সামলান মুশফিক। আগের চার টেস্টে যেখানে মিরাজের সর্বোচ্চ ১০, সেখানে মুশফিককে খুব বেশি আশাবাদী করতে পারেনি। মিরাজের ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠার আফসোস অবশেষে শেষ হলো। ১০২ বলের সংগ্রামী ইনিংসে এলো মেইডেন ফিফটি। দুজনের পার্টনারশিপ ৮৭, ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিকের ক্ল্যাসিক ফিফটি। একই সঙ্গে চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে তিন হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ। দিনের শুরুতে অবশ্য তামিম-মুমিনুলের বোঝাপড়ার অভাবে খেসারত দিতে হয়। মুমিনুল-মাহমুদুল্লাহর আউটের ধরণ একই। লেগ বিফোর হলেন দুইজন। দুই অভিজ্ঞ সাকিব-মুশফিক ইনিংস গড়লেন। কিন্তু রানিং বিট্যুইন দ্য উইকেটে কয়েকবার বিপদ হতে পারতো। ভাগ্যের ফেরে বারবারই বেঁচে যান মুশফিক। ভারতীয় বোলারদের কোন সুযোগ না দিয়ে ফিফটি তুলে নেন সাকিব। ভাল খেলতে খেলতে আউট হবেন সাকিব, এটা এখন নিয়মিত। চৌদ্দ ওভার উইকেটবিহীন থাকা আশউইনকে জোর করে উইকেট দিয়ে আত্মাহুতি দিয়ে আসেন ৮২ রানে।
টেস্ট ক্রিকেটার হয়ে ওঠার চেষ্টা আপাতত বৃথা গেলো সাব্বিরের। পরের গল্পটা অনবদ্য। রাজীব গান্ধী স্টেডিয়ামে রানের সৌরভ ছড়িয়েছেন মুশফিক-মিরাজ।
স্পোর্টস ডেস্ক, বিডি টাইমস নিউজ।



























