আজ জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রামীন ব্যাংক পরিচালনায় আইন লংঘন করেছিলেন সেসময়ের এমডি। সরিয়েও নেয়া হয় বিপুল অংকের টাকা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আইনগত ব্যবস্থা নেয়ায় দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারও চালান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জনগণের জন্য রাজনীতি করলে দেশের টাকা লুট করা যায় না।’
পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের বিনিয়োগ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিজেদের টাকায় শেষ হবে দেশের সবচেয়ে বড় সেতুর নির্মাণকাজ।’
উন্নয়ন অব্যাহত থাকায় ৭ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও আশাবাদ জানান শেখ হাসিনা।
বুধবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ড. ইউনূস আইনি লড়াইয়ে হেরে গিয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের এমডির পদ হারিয়েছেন। পদ হারানোর পর সরকারের বিরুদ্ধে তিনি পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করেছেন বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। বর্তমান সরকার আগুন সন্ত্রাসসহ জঙ্গিবাদ দমনে সফল বলেও সংসদে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ড. ইউনূস মামলায় হারলেন। আইনের কারণে উনার এমডি পদ চলে গেল। এরপর উনি আমাদের ওপর ক্ষেপে গেলেন। সেই ক্ষ্যাপাটা পড়ল আমার পদ্মা সেতুর উপর।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের কোন এক স্বনামধন্য পত্রিকার সম্পাদক আর ড. ইউনূস মিলে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে, আমেরিকার ফরেন সেক্রেটারি হিলারি ক্লিনটনসহ এদের সকলের লবিতে পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের টাকা দেওয়াটা বন্ধ করে দেওয়া হল এবং উল্টো দুর্নীতির অভিযোগ আনা হল। যেখানে এক পয়সাও ছাড় হয়নি। বলা হলো দুর্নীতির ষড়যন্ত্র হয়েছে।’
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ।
























