ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে জনমনে এখনো অস্বস্তি রয়েছে বলে দাবি করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, পেপার ব্যালটে অনিয়ম হলে বের করা যাবে। কিন্তু ইভিএমে অনিয়ম হলে তা বের করা যাবে না।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং সৎ ও যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করার দাবিতে সুজন এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। বদিউল আলম বলেন, ব্যালট পেপারে ভোটারদের নিয়ম থাকে, বাক্সে ফেলা পর্যন্ত জানা যায়, কোথায় ভোট দিলেন, প্রার্থীর এজেন্ট, গণমাধ্যম, পর্যবেক্ষক সঠিক দায়িত্ব পালন করলে ভোট গণনা সঠিক হয়। ব্যালট পেপারে অনিয়ম হলে বের করা যায়। কিন্তু ইভিএমের বেলায় তা সম্ভব নয়।

ইভিএমে সবচেয়ে বড় সংকট নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের অনাস্থা। গত জাতীয় নির্বাচনের তারা জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে, তাদের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। তিনি বলেন, ভারতের ইভিএমে পেপার অডিট ট্রেইল অর্থাৎ কাকে ভোট দিলেন সেটা প্রিন্ট দিয়ে জানা যায়, ভোট পুনঃগণনা করা যায়, কিন্তু আমাদের ইভিএম ভারতের গুলোর চেয়ে ১১ গুণ বেশি দামে কেনা স্বত্বেও সেই ব্যবস্থা নেই। ইভিএম কেনার আগে যে প্র্যাকটিক্যাল কমিটি করা হয়েছে, যার প্রধান ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, তিনি স্বাক্ষর করেননি এসব সুবিধা না থাকার কারণে।

ইভিএম যন্ত্র নিয়েও আমাদের অস্বস্তি আছে। তিনি আরো বলেন, ইভিএমে ব্যবহার নিয়ে জনমনে অস্বস্তি আছে। এছাড়া অনেকের বিরুদ্ধে মামলা আছে, হুমকি ধামকির ঘটনা আছে, যা ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিরুৎসাহিত করবে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে