বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী প্রচার।তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারে তুমুল ব্যস্ত প্রার্থীরা। উত্সবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে নগরীতে। প্রচারের শেষদিকে ভোটারদের সমর্থন আদায়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে প্রচার কাজ বন্ধ করতে হবে। ভোটগ্রহণ শুরু হবে ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায়। এক্ষেত্রে প্রচার বন্ধ করতে হবে ৩০ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টায়। বিধি অনুযায়ী ‘কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৩২ ঘণ্টা, ভোটগ্রহণের দিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা এবং ভোটগ্রহণের দিন রাত ১২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি কোনো জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান করা এবং কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা সংগঠিত বা তাতে যোগদান করতে পারবেন না। এবারের নির্বাচনে দুই সিটিতে ১৩ মেয়র প্রার্থী। ঢাকা উত্তর সিটিতে সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ৫৪টি পদে ২৫১ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ১৮টি পদে ৭৭ জন ভোটের লড়াইয়ে আছেন। দক্ষিণ সিটিতে সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলরের ৭৫টি পদে ৩৩৫ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ২৫টি পদে ৮২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গত ১০ জানুয়ারি প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করেছিলেন।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন উপলক্ষ্যে নগরীকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হচ্ছে। কাল থেকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বসানো হচ্ছে নিরাপত্তা চৌকি। ভোটারদের নিরাপত্তা আর ভোটদান নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও আনসার মিলে প্রায় অর্ধলক্ষাধিক সদস্য নির্বাচনের মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনী অপরাধ দমন ও সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মাঠে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে