ফারমার্স ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে ৪ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা আত্মসাতের মামলায় বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ মোট ১১ জনকে আসামি করে এই অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছেন দুদক কর্মকর্তা বেনজির আহমেদ। মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রসিকিউশন থেকে জানানো হয়েছে সোমবার আদালতে চার্জশিট দাখিলের পর ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশ চার্জশিট গ্রহণ পূর্বক স্বাক্ষর করেন।

মামলার প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য আগামী ৫ জানুয়ারি তা সংশ্লিষ্ট আদালতে উপস্থাপনের পর বিচারকের আদেশপ্রাপ্তি সাপেক্ষে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে তা স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর এবং গোপনে পাচার করেছেন।মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক এমডি এ কে এম শামীম, সাবেক এসইভিপি গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সাফিউদ্দিন আসকারী, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জিয়াউদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের বাসিন্দা শাহজাহান, একই এলাকার নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, রনজিৎ চন্দ্র সাহা ও তার স্ত্রী সান্ত্রী রায়।

দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মধ্যে আসামি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা অসৎ উদ্দেশ্যে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপরাপর আসামিদের সহযোগিতায় ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) থেকে শাহজাহান ও নিরঞ্জনের নামে ভুয়া ঋণ উত্তোলন করেন। এরপর সেই অর্জিত অপরাধলব্ধ টাকা নিজ নামীয় ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেন। পরে তা উত্তোলন করে নিজ আত্মীয়ের মাধ্যমে আত্মসাৎ করে নিজেদের ভোগদখলে রেখে ঐ অর্থের অবৈধ প্রকৃতি উত্স অবস্থান গোপন বা এর ছদ্মাবরণে পাচার করেন। যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২), (৩) সংশ্লিষ্ট ধারায় ও দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে