কাউন্সিলর মিজানের বাড়িতে মিললো ৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার চেক-এফডিআর। পাওয়া গেছে চার রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল। এর আগে শ্রীমঙ্গল থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি। তার বিরুদ্ধে ক্যাসিনো, মাদক ব্যবসা, ভূমিদখলের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ১৯৮৯ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলারও আসামি তিনি।

উত্তর ঢাকার ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান। এলাকাবাসী চেনে পাগলা মিজান নামে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভূমিদখলসহ নানা অভিযোগ আছে মোহাম্মদপুরবাসীর।অভিযোগ আছে সম্প্রতি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ চেয়ে চলা আন্দোলনে তার উসকানিই পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে জেনেভা ক্যাম্পবাসী। এ ঘটনায় মামলার পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন মিজান।চলমান ক্যাসিনো অভিযানেও নাম আসে তার। সে কারণেই সীমান্তপথে পালাতে চেয়েছিলেন ভারতে। তবে তার আগেই শুক্রবার ভোরে শ্রীমঙ্গল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ঢাকায় এনে লালমাটিয়ার অফিস ও আরঙ্গজেব রোডের বাসায় চালোনো হয় তল্লাশি।এসময় পাওয়া যায় ৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকার চেক-এফডিআর, চার রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি রিভলবার।

অবৈধভাবে মিজানান কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ঢাকায় তিনটি ও যুক্তরাষ্টের বাড়ি আছে একটি।অবৈধ ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভূমিদখলসহ ১৯৮৯ সালে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টা মামলারও আসামি মিজান। বৃহস্পতিবার শ্রীমঙ্গল যাওয়ার আগে ব্যাংক থেকে ৬৮ লাখ টাকা তোলেন তিনি।এদিকে মিজানের গ্রেপ্তারের খবরে আন্দল মিছিল করেছে জেনেভা ক্যাম্পবাসী। জানানো হয়েছে ফাঁসির দাবি।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে