মিথ্যা ঘোষণা আর গেমিং মেশিনের নামে এসেছে ক্যাসিনোর সরঞ্জাম। এ সংক্রান্ত পাঁচটি পণ্যের চালানের খোঁজ পেয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ বিষয়ে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে আমদানিকারকদের।

দেশে জুয়া নিষিদ্ধ হলেও, জুয়ার সরঞ্জাম আমদানি করা যাবে কিনা তা নিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি নীতি আদেশে রয়েছে অস্পষ্টতা। এ সুযোগে আমদানিকারকেরা অন্য পণ্যের নামে বিদেশ থেকে এনেছেন ক্যাসিনোর সরঞ্জাম। গত ১০ বছরের পণ্য চালানের বিবরণী থেকে এরকম পাঁচটি চালানের তথ্য পেয়েছে শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ।শুল্ক কর্মকর্তারা বলছেন, আকাশপথে বা অনলাইনে অর্ডার দিয়ে বিদেশ থেকে জুয়ার সরঞ্জাম আনা হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এদিকে, ক্যাসিনোর সরঞ্জাম খণ্ড খণ্ডভাবে দেশে এনে জোড়া দেয়া হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্টমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ঢাকার কয়েকটি ক্লাবে পাওয়া গেছে ক্যাসিনোতে জুয়া খেলার গেমিং টেবিল, চিপস, প্লাক, স্লট মেশিন, রুলেটসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। ক্যাসিনো পরিচালনার জন্য গ্রেপ্তারও হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে