রিমন পালিত/বান্দরবান প্রতিনিধিঃ বান্দরবান পৌর এলাকা ৯নং ওয়ার্ড বনানী স্ব’মিল বাসিন্দা মুদি ব্যবসায়ি আব্দুল শুক্কুরের মেয়ে মুশফিকা আক্তার (৪)কে একই বিল্ডিং এর বাসিন্দা ড্রাইভার মোঃ জহিরুল ইসলাম (৩৮) ৩য় তলাায় নিয়ে গিয়ে যৌন কামনা করার চেষ্টা করেছে বলে পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ২০ শে আগষ্ট মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৩ টার সময়। মেয়ের পিতা আব্দুল শুক্কুর(৩৮) বলেন, বাজারে আমার একটি মুদির দোকান রয়েছে। আমি এবং মোঃ জহিরুল ইসলাম(৩৭) মনু সওদাগরের বিল্ডিং এ পাশাপাশি ভড়াটিয়া হিসেবে দীর্ঘদিন বসবাস করছি। মঙ্গলবার বিকালে প্রায় সাড়ে ৩ টার সময় আমর মেয়ে ও ছোট ভাই খানে আলম দোকনের জন্য কিছু মালামাল এনে বাড়ির বিল্ডিং এর নিচে রাখে। আমার মেয়েকেও দোকানের মালামালের সামনে দাঁড় করিয়ে রাখি। মালামাল নেয়ার শেষ পর্যায়ে মোঃ জহিরুল ইসলাস বাসার নিচে নেমে আমার মেয়েকে দেখতে পেয়ে সেখানে দাড়িয়ে থাকে। দোকানে মালামাল নেয়ার শেষ হলে সে আমার মেয়েকে বাসায় পৌছে দিবে বলে আমি চলে আসি। সে আমার মেয়েকে বাসায় পৌছে না দিয়ে সোজা ৩য় তলার ছাদের উপরে নিয়ে গিয়ে তার প্যান্ট খুলে পুরুষাঙ্গ বের করে আমার মেয়ের হাতে ধরিয়ে দেয়। তখন মেয়েটি কান্নাকাটি করলে আমার মেয়েকে ছেড়ে দেয়। আমার মেয়ে কন্না করতে করতে বাসায় এসে তার মাকে বলে বৃষ্টির আব্বু তার যৌনাঙ্গ ধরাইছে। বিষয়টি বুঝতে পেরে তাৎক্ষনিক পাশের বাসার ভাড়টিয়া ইছহাক স্ত্রীকে বিষয়টি খুলে বলে। এবং মোঃ জহিরুল ইসলামের স্ত্রীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে সে অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করে। আমার স্ত্রী বিষয়টিকে আমাকে মুঠো ফোনে জানালে আমি বাসায় এসে মেয়ের সাথে কথা বলি এবং আমার মেয়ে আমাকে বৃষ্টির আব্বু যৌনাঙ্গ ধরাইছে একই কথা বলে।
আমি স্থানীয় মুরব্বীগণ, আমার আত্মীয়-স্বজন আমার বাসার বাড়িওয়ালা সহ আরো কয়েক জনকে অবহিত করি। এবং মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে মামলা করি। বান্দরবন সদর থানা কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, মেয়ের পিতা শুক্কুর তার মেয়েকে যৌন কামন চরিতার্থ করার অভিযোগে একটি মামল রুজু করা হয়েছে। এবং অভিযুক্ত আসমি ড্রাইভার মোঃ জহিরুল ইসলাম (৩৮)জিজ্ঞাসাবাদে যৌন কামনা মিঠানোর কথা শিকারও করেছে।
রিমন পালিত,
বান্দরবান নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























