২৪ ঘণ্টার আগেই উত্তর ঢাকায় কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম। একই ঘোষণা দিয়েছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। এবারওনির্ধারিত জায়গায় পশু কোরবানিতে আগ্রহ দেখায়নি নগরবাসী।

মহাখালী পশু জবাইখানাসহ ২৭৩টি স্থানে এবার পশু কোরবানির ব্যবস্থা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। এছাড়া কোরবানি করা যাবে এমন ৪০০টি জায়গা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। তবে, এসব জায়গার বাইরেই পশু কোরবানি হয়েছে বেশি।সকালে পশু কোরবানি শুরুর পর থেকেই মহল্লায় মহল্লায় বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেন সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নগরীকে পরিচ্ছন্ন করার ঘোষণা দেন মেয়র।দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬০২টি স্থান পশু কোরবানির জন্য নির্ধারণ করা হয়। পুরান ঢাকাসহ বেশ কিছু এলাকায় দুই-তিন দিন কোরবানি হওয়ায় এসব এলাকায় সময় নির্ধারণ করে বর্জ্য অপসারণ কঠিন বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

দুই সিটি করপোরেশনের হিসাবে এবার ঈদে ঢাকায় পাঁচ লাখের মত পশু কোরবানি হয়েছে। পশুর বর্জ্য সরিয়ে নিতে মাঠে রয়েছেন দুই সিটি করপোরেশনের প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী।

তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে