হোমিও চিকিৎসক মীর ছানাউর রহমান ওরফে ছানাইল্লাহ (৫৮) হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো কুলকিনারা করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার কোনো কারণ উদঘাটন তো দূরের কথা সন্দেহভাজনও হিসেবেও কেউ আটক হয়নি। যেখানে পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে। এ অবস্থায় পরিবারের লোকজন ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়েছেন।
কুষ্টিয়া শহর থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে বটতৈল শিশিরপাড়া এলাকায় মীর ছানাউর রহমান ওরফে সানাইল্লাহ তার বাগানবাড়িতে প্রতি শুক্রবার গ্রামের মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিতেন। গত ২০ মে সকালে মোটরসাইকেলে করে সেখানে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এসময় তার সঙ্গী ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের শিক্ষক সাইফুজ্জামানকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তারা। ঘটনার পর নিজতের সেজভাই মীর আনিছুর রহমান বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বাদী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দিনের বেলায় এতবড় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটে গেল। তারপরও এক মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারা দুঃখজনক। পরিবারের সবাই হতাশ। এ মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহাবুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ বলেছিল, এটা জঙ্গিদের কাজ নয়। ওই চিকিৎসকের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব ছিল কি না সেই বিষয়টিই অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। তবে ভাই ছানাউর রহমান পুলিশের এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তার ভাইয়ের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। তিনি বাউলভক্ত ছিলেন। মাঝে মাঝে আখড়ায় যেতেন।
কে এম শাহীন রেজা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি,বিডি টাইমস নিউজ।





























