সদরঘাট টার্মিনালে নৌকাডুবিতে নিখোঁজের সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে দুই শিশু মিশকাত ও নুসরাতের মরদেহ। জীবিত উদ্ধার হয়েছে তাদের পরিবারের অন্য ৩ সদস্য। এ ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলছেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান। জানিয়েছেন, কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ীদের জন্য লঞ্চঘাট থেকে সরানো যাচ্ছে না নৌকা।
সকাল ছয়টার দিকে বরিশাল থেকে পরিবারসহ সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছে কেরানীগঞ্জে যাওয়ার জন্য নৌকা ভাড়া করেন শামীম। কিন্তু পূবালী ৫ লঞ্চের মোটর থেকে তৈরি হওয়া ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে যায় নৌকাটি। তিন শিশুসহ ৫ জন যাত্রী ছিলো নৌকাটিতে। দেড় বছরে শিশুটিকে নিয়ে পাড়ে উঠতে পারলেও দুই ভাইবোন মিশকাত এবং নুসরাতকে বাঁচাতে পারেন নি মামা শামীম। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে আসে পুলিশ। ডুবুরি ডেকে শুরু হয় তল্লাশি। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর দুটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ডুবুরিরা জানান, নদীর তলদেশে প্রচুর আবর্জনা থাকায় উদ্ধারে বাড়তি সময় লাগে।
সদরঘাট এলাকায় এই ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে। বারবার উদ্যোগ নেওয়ার পরও নৌকা সরানো যায়নি লঞ্চঘাট থেকে । এর জন্য কেরানীগঞ্জের ব্যবসায়ীদের দায়ী করছেন বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান। দুই সন্তান হারানো এই বাবার মতো আর কারো আহাজারিতে যেন সদরঘাটের পরিবেশ ভারী না হয়, এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
তথ্যঃ ইন্ডিপেনডেন্ট, ছবিঃ বাংলা রিডার
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























