বুধবার (১৯ জুন) বিকেলে কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়া ইউনিয়নে একটি বাল্যবিবাহ ভন্ডুল করেছে প্রশাসন একইসাথে বিয়েতে বরযাত্রী হয়ে আসায় চার ইউপি চেয়ারম্যানকে অর্থদন্ড করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।
জানা যায় ঝাউদিয়া ইউনিয়নের মিলন বিশ্বাসের মেয়ে ঝাউদিয়া বাজার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্রী মর্জিনা বেগম ও ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে অপ্রাপ্ত বয়স্ক রাসেল আহম্মেদ পালিয়ে আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। বিষয়টি গোপন রেখে দুই পরিবার থেকে বিয়ের অয়োজন করা হয়। বুধবার ঝাউদিয়া মিলন বিশ্বাসের বাড়িতে বরপক্ষের লোকজন আসে। একই সাথে বরের সাথে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা বরযাত্রী হয়ে আসে।
বিকেলে বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন মেয়ের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বরপক্ষের লোকজন খাওয়া-দাওয়া করছিল। সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি গাড়িতে চেপে আসা চেয়ারম্যানও ছিল। আদালত বাল্য বিয়ে দেয়ার অপরাধে মেয়ের বাবা মিলন বিশ্বাস ও খালাতো ভাই জিয়ারুল ইসলামের ৪দিনের কারাদণ্ড দেয়। একই সাথে বাল্য বিয়েতে বরযাত্রী হয়ে আসার অপরাধে হরিনাকুন্ডু উপজেলার ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছমির উদ্দিন, খলিসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, চাঁদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা ও দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রতন শেখ, স্থানীয় ঝাউদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কেরামত আলীসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জুবায়ের হোসেন চৌধুরী বলেন, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে বিয়ের দেয়ার অপরাধে মিলন বিশ্বাস ও মেয়ের খালাতো ভাইকে চারদিনের জেল দেয়া হয়েছে। আর জনপ্রতিনিধি হয়ে বিয়েতে অংশ নেয়ায় চার চেয়ারম্যানকে জেল দেয়া হয়েছে। সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে তারা বিয়েতে অংশ নিয়েছিল।
প্রিতম মজুমদার
কুষ্টিয়া নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ




























