চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ  চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ¯েœহা (২) নামের এক শিশু কন্যাকে বটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে মা শামীমা খাতুন। আজ (১৭জুন) সোমবার ভোর ৬ টার সময় উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মা শামীমা খাতুন (৩৫) আলমডাঙ্গা উপজেলার সোনাতনপুর গ্রামের (পল্লী চিকিৎসক) মামুন অর রশিদের স্ত্রী।

খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অভিযুক্ত মা শামীমা খাতুনকে থানা হেফাজতে নেয়। শামীমা খাতুন মানসিক ভারসাম্যহীন। তাছাড়া চুয়াডাঙ্গার এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিকট চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা গ্রহন করছে বলে দাবি করেন স্বামী মামুন অর রশিদ।স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে শামীমা খাতুন দোতলায় সিড়িঘরের পাশে রান্নাঘরে রান্না করার জন্য যায়। সেখানে তার ছোট মেয়ে স্নেহা গেলে বটি দিয়ে তার গলা কেটে হত্যা করে। হত্যার পর সবাইকে বলে আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছি মিস্টি বিতরণ করো।

শামীমা খাতুনের স্বামী বলেন, ছেলে সন্তান না থাকায় ছেলে সন্তানের আশায় তৃতীবারও মেয়ে সন্তান হয় তাদের। ছোট মেয়ে ¯েœহা জন্মগ্রহণ করার পর থেকে তার স্ত্রী শামীমা মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে যায়। কোনো ছেলে সন্তান না থাকায় মাঝেমধ্যেই তিন মেয়েকে অত্যাচার ও মারধর করতো। দীর্ঘদিনধরে এরকম আচরণ কারায় চুয়াডাঙ্গার এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তার চিকিৎসা চলছিলো। আজ হঠাত এমন ঘটনা ঘটালো তা নিজেও কল্পনা ও করতে পারছিনা বলে জানান তিনি।

এ দিকে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ অভিযুক্ত শামীমা খাতুন ও স্বামী মামুন উর রশিদকে থানা হেফাজতে নেয় বলে নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান মুন্সি। শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আজ দুপুরেই শিশুকন্যাটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শামীম কবীর।

সোহেল রানা ডালিম
চুয়াডাঙ্গা নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে