চারশো বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সমৃদ্ধ ঢাকা আছে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে। অনিরাপত্তা আর অপরিচ্ছন্নতা ঝুঁকির হলেও যেন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। নিজেদের উদাসীনতা, অনিয়ম আর অন্যায়ের কারণে সর্ব ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে ক্রমান্বয়ে, যার চুড়ান্ত ফল হিসেবে নিয়মিত ভাবেই বিচিত্র অঘটনে প্রাণ যাচ্ছে মানুষের।

৩০৬ বর্গকিলোমিটারের রাজধানীতে প্রায় দুই কোটি মানুষ। আনুষ্ঠানিক তথ্য বলছে, পরিকল্পনার আওতাধীন ঢাকা শহরে স্থাপনা রয়েছে ২২ লাখ। এক থেকে ছয়তলা ভবন ২১ লাখ। ৭ থেকে ২৫ তলা ভবন ৮৮ হাজার। জরিপ বলছে, অগ্নিকান্ডে ঝুঁকিপূর্ন ভবনের সংখ্যা সাড়ে এগার হাজার। আর সামগ্রিকভাবে ঝুঁকিপূর্ন চার লাখ। ভূমিকম্প, যানজট, জলাবদ্ধতা, সড়ক দুর্ঘটনা, বায়ুদুষণ, শব্দ দুষণ, বর্জ্য থেকে নানা রোগে আক্রান্ত হওয়া সহ বহু ঝুঁকিতে নগরবাসী। আবার বায়ুদূষণের জন্যও এখন আলোচিত ঢাকা। বিশ্বে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। দূষনে হৃদরোগ, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা, ফুসফুসের সংক্রমনসহ শিশু ও গর্ভবতী নারীরা পড়ছেন ঝুঁকিতে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও গবেষকরা বলছেন ৮০’র দশকের পর থেকে রাজধানী ঢাকার গুনগত মান নিম্নমুখী হতে শুরু করে। এজন্য অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জনসংখ্যার চাপ দায়ী বলছেন তারা।বিশ্লেষকরা বলছেন, নগরবাসীর ঝুঁকিগুলোর ৯০ শতাংশই মানুষের সৃষ্ট। বাকি ঝুঁকি আসে প্রাকৃতিকভাবে। সেখানেও মানুষের বড় নেতিবাচক ভূমিকা আছে।

তথ্যঃ বৈশাখী
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে