গত ৫ বছরে রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৯০ হাজার ছোট-বড় অগ্নি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৬৫ জন। আর্থিক ক্ষতি প্রায় ২ হাজার একশ কোটি টাকা। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বলছে, রাজধানীর ৮৫ শতাংশ ভবনই অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে।

২১শে ফেব্রুয়ারি চকবাজার অগ্নিকাণ্ডে ঝরে যায় ৭৮টি তাজা প্রাণ। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ২৮ মার্চ বনানীতে এফআর টাওয়ারের আগুনে মারা যান আরো ২৫ জন। সর্বশেষ আগুনে পুড়ে ছাই গুলশান ডিএনসিসি মার্কেটের কাঁচাবাজার।পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৪ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সারা দেশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৮৯ হাজার ৯শ ২৩টি। এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২ হাজার একশ কোটি টাকা। এ সব দুর্ঘটনার পর যে তদন্ত কমিটি গুলো হয়েছে তাদের প্রস্তাবনা মানা হয়েছে খুব কম ক্ষেত্রেই।ফায়ার সার্ভিসের এক সাবেক কর্মকর্তা আরো বলেন, রাজধানীর মোট ভবনের মাত্র ১৫ শতাংশ ভবনে অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা আছে। তবে, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পূর্ব প্রস্তুতির কোনো বিকল্প দেখছেন না তিনি।

অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা না থাকা ভবনগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছে সরকার। কেবল বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রশাসনসহ সবাই নড়েচড়ে বসে। তবে, কিছুদিন পার হলেই থেমে যায় সব তৎপরতা।

অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে