রমজান মাসে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আজ থেকে খোলাবাজারে মিলবে, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবির পণ্য। সারাদেশে ১শ’ ৭৯টি ট্রাকের মাধ্যমে পুরো রমজান মাস জুড়ে ৫টি পণ্য বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিসিবি।

ভ্রাম্যমাণ ট্রাকের মাধ্যমে চিনি, খেজুর, ছোলা, সয়াবিন তেল ও মসুর ডাল বিক্রি করবে তারা। এর মধ্যে, রাজধানীতে ৩২টি, চট্টগ্রামে ১০, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ৫টি ও জেলা শহরে দুটি তোরে ট্রাকে এ সব পণ্য পাওয়া যাবে। প্রতিটি ট্রাকে, দৈনিক ৩০০ থেকে ৪০০ কেজি চিনি, ১৫০ থেকে ২০০ কেজি মসুর ডাল, ৩০০ থেকে ৪০০ লিটার সয়াবিন তেল, ৪০০ থেকে ৮০০ কেজি ছোলা ও ৫০ কেজি খেজুর বরাদ্দ থাকবে। গত বৃহস্পতিবার টিসিবির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

টিসিবি বলছে, পণ্য বোঝাই করতে সময় লাগায় ট্রাকগুলো নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে পারেনি। তবে, দুপুরের পর সব স্থানে নির্ধারিত পাঁচটি পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করবে তারা। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভোক্তা স্বার্থে টিসিবির খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম সফল করতে সমন্বয়ের পাশাপাশি নজরদারি বাড়াতে হবে। প্রতিবছর রমজান আসার আগেই ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ-টিসিবি নির্দিষ্ট কিছু পণ্য ট্রাক ও ডিলারদের মাধ্যমে বিক্রি করে। সাধারণ মানুষকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজার সহনীয় রাখাই যার লক্ষ্য। তবে, শুরুর দিনের চিত্র বলছে, সমন্বয়হীনতার কারণে এখনো সবস্থানে পণ্য পৌঁছায়নি। কোন কোন স্থানে পাঁচটি পণ্যের সবগুলো পাওয়া যাচ্ছে না। আবার কোথাও ট্রাক বা ডিলাররা নির্দিষ্ট স্থানে পণ্য বিক্রি করছেনা।

রাজধানীতে ৩২টি ট্রাক থাকার কথা থাকলেও ৮ থেকে ১০টি স্থানে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ন্যায্য দামে পণ্য পেয়ে খুশি ক্রেতারা। তবে ডিলাররা বলছেন, চাহিদানুযায়ী পণ্যের বরাদ্দ না পাওয়ায় বিক্রিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের।

অবশ্য টিসিবি মুখপাত্র হুমায়ূন কবির বলছেন, পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও সারাদেশে পণ্য পৌঁছাতে কিছুটা দেরি হচ্ছে। অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলছেন, আগে থেকেই আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছানো যেতো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে