কার্টার মাস্টারের দুর্দান্ত অ্যাকশন বোলিং সত্ত্বেও জয় পায়নি হায়দ্রাবাদ । চার ওভারের বিনিময়ে ২৪ রান দিয়ে উইকেট শিকার করেছেন ১টি । গতকাল আইপিএলে শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ছয় উইকেটে জিতেছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস।
রায়পুরের শহীদ বীর নারায়ণ সিং আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নারের ৭৩ রানের সুবাদে সাত উইকেটে ১৫৮ রান করেছে হায়দরাবাদ।মুস্তাফিজ প্রথম বল হাতে পেয়েছেন দিল্লির চতুর্থ ওভারে। প্রথম ওভারটা তেমন ভালো করেননি ‘ফিজ’। একটি চারসহ দিয়েছেন ৮ রান।
তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারে অসাধারণ বোলিং করেছেন বাংলাদেশের কাটার-মাস্টার। ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বোলিং করে দিল্লির দুই ব্যাটসম্যানকে বেঁধে রেখেছেন মুস্তাফিজ। প্রথম বলে কোনো রকমে এক রান নিতে পেরেছেন ঋষভ পন্ত। তবে পরের পাঁচ বলই ছিল ‘ডট’। ঐ পাঁচ বলে করুন নায়ারকে কোনো রান করার সুযোগ দেননি এই বাংলাদেশি কার্টার মাস্টার ।
দ্বিতীয় স্পেলে মুস্তাফিজ ফেরেন ১৬তম ওভারে।তবে দুর্ভাগ্যবশত সেই ওভারে নিশ্চিত উইকেট পাননি। ওভারের শেষ বলে সহজ ক্যাচ দিয়েছিলেন জেপি ডুমিনি। কিন্তু ক্যাচটা হাতে জমাতে পারেননি ভুবনেশ্বর কুমার। ১০ রান দেওয়ায় হতাশা নিয়েই ওভারটা কেটেছে মুস্তাফিজের।
কিন্তু এই বাঁহাতি পেসারের সব হতাশা কেটে গেছে নিজের চতুর্থ ও শেষ ওভারে। ১৯তম ওভার করতে যখন মুস্তাফিজ এসেছেন, তখন দিল্লির ১২ বলে ১৬ রান প্রয়োজন। প্রথম বলে কোনো রান করতে পারেননি কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। পরের বলেই থার্ডম্যানে বারিন্দর স্রানের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক। ঐ ওভারে মাত্র পাঁচ রান দেওয়ায় মুস্তাফিজের বোলিং ফিগার দাঁড়িয়েছে ৪-০-২৪-১।
কাটার-মাস্টারের এমন চমৎকার বোলিংও অবশ্য হায়দরাবাদকে জয় এনে দিতে পারেনি। শেষ ওভারে দিল্লির প্রয়োজন ছিল ১১ রান। ভুবনেশ্বরের প্রথম চার বলে মাত্র পাঁচ রান হওয়ায় জয়ের সৌরভ পাচ্ছিল হায়দরাবাদ। কিন্তু শেষ দুই বলে চার মেরে দিল্লির জয়ের নায়ক করুন নায়ার। ৫৯ বলে ৮৩ রানে অপরাজিত নায়ারের হাতেই উঠেছে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার।
স্পোর্টস ডেস্ক , বিডি টাইমস নিউজ ।



























