ভারত ও সৌদি আরব থেকে রোহিঙ্গাদের আসা নিয়ে নতুন সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। এ ধরনের ঘটনাকে দুঃখজনক বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। দিল্লির সঙ্গে এ ইস্যুতে আলোচনা করছে সরকার। অন্যদিকে রাখাইন পরিস্থিতির উন্নয়ন না হওয়া পর্যন্ত ভারতকেও রোহিঙ্গাদের আশ্রয় অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ।
ভারতে আশ্রয় নেয়া অন্তত ৭ রোহিঙ্গাকে গত বছরের অক্টোবরে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায় দিল্লি। এরপরেই দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর আর হায়দরাবাদে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে গত ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে প্রায় ১ হাজার ৪০০ রোহিঙ্গা। পাশাপাশি সৌদি আরব থেকে আড়াইশ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। এসব ঘটনা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে বাংলাদেশের জন্য। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলছেন, মানবিক কারণে এরই মধ্যে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। এখন অন্য দেশ থেকেও রোহিঙ্গাদের পাঠানো হলে সংকট আরো বাড়বে।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সোমবার কথা কথা বলেন জাতিসংঘের শরণাথী সংস্থা ইউএনএইচসিআরে নতুন আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে। এ সময় রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরির আগে বাংলাদেশসহ কোনো দেশ থেকেই রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরত পাঠানো বন্ধ রাখার ওপর জোর দেয় ইউএনএইচসিআর।
ইউএনএইচসিআরয়ের আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন কার্লোস বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারত সরকারের সঙ্গে কাজ করছে ইউএনএইচসিআর। যেসব দেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে তাদের সবার সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের আশ্রয় দেয়া উচিত। আমরা আশা করি ভারতও এটি করবে।
বৈঠকে রোহিঙ্গাদের পর্যায়ক্রমে জাতিসংঘের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে স্থানান্তরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সংকট সমাধানে জাতিসংঘকে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার আহ্বানও জানান তিনি।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























