হোন্ডার পর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করছে জাপানের আরেক প্রতিষ্ঠান সাকাতা। প্রাথমিকভাবে ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনোমিক জোনে কালি উৎপাদন কারখানা করবে প্রতিষ্ঠানটি। সকালে বেজার কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করে প্রতিষ্ঠান দুটি।

নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ১শ১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল করেছে মেঘনা গ্রুপ। চলছে কারখানা নির্মাণ। এরই মধ্যে উৎপাদনে গেছে মেঘনা গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। এবার এ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করছে জাপানি কালি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সাকাতা ইনক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এজন্য দুপক্ষের মধ্যে জমি ইজারা চুক্তি হয়েছে।
দেশে কালির বাজার প্রায় দুই হাজার কোটি টাকার। যার বেশিরভাগ আমদানি করতে হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ কারখানা হলে কমবে আমদানি নির্ভরতা। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। বিশ্বে কালি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জাপানের সাকাতার অবস্থান ৩য়। বছরে প্রায় একশ কোটি ডলারের কালি উৎপাদন করে জাপানের শীর্ষ এ প্রতিষ্ঠান। ভারতসহ অনেকে দেশেই আছে তাদের কারখানা। এমন বড় প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করলে তা অন্যদেরও উৎসাহিত করবে। এ বছর অনেক বড় বড় বিনিয়োগ প্রস্তাবও অপেক্ষায় আছে বলে জানায় তদারকি প্রতিষ্ঠান বেজা।

চুক্তি অনুযায়ী, দেড় বছরের মধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানির পরিকল্পনাও রয়েছে সাকাতার।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ

























