• পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় সমন্বিত সমাজ উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ও ইউনিসেফ এর আর্থিক সহায়তায় প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ে ৩২০ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়েছে।
    • ৪০০০ পাড়াকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত পার্বত্য এলাকার ১,৬৫,৩৪৩ পরিবারকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, পানি, পয়ঃব্যবস্থা ইত্যাদি মৌলিক সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
    • শিক্ষা : প্রকল্পভুক্ত ৩-৫ বছর বয়সী ১,৭৩,১৬৫ জন শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার জন্য প্রস্তুতকরণের লক্ষ্যে পাড়াকেন্দ্রে শিশু বিকাশ ও প্রাক-শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
  • বর্তমানে ৪০০০ পাড়া কেন্দ্রে ৫৪,০০০ শিশু প্রি-স্কুলে অধ্যয়নরত। পাড়াকেন্দ্র থেকে ২ লক্ষের বেশি শিশু প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে।
  • এছাড়া পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকায় ক্ষুদ্র ও পশ্চাদপদ নৃগোষ্ঠির মধ্যে প্রতি বছর ১০০০ জন শিক্ষার্থীর খাদ্য, আবাসন, পোশাক, পরিচ্ছদ, শিক্ষা উপকরণ বিনামূল্যে প্রাপ্তিসহ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষা লাভ করছে।
  • ৯৪,৭২৪ জন শিশুদের জন্য ভিটামিন-মিনারেল পাউডার, কিশোরী ও গর্ভবর্তীদের আয়রন ট্যাবলেট, ১,২২,৪৩৫ জন প্রসুতি মায়েদের জন্য ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ, ৮১,৭১০ জন কিশোরীদের জন্য কৃমিনাশক বড়ি বিতরণ, ৫৩৪ জনকে উঘও প্রশিক্ষণ ও ২০৪৫ জনকে গঘঐও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
  • ১২০টি নলকূপ স্থাপন ও সংস্কার, ৫,৪২৩টি স্বল্পব্যয়ী স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা সরবরাহ, ১,৩৫০ জন কেয়ার টেকার প্রশিক্ষণ ও টুলবক্স বিতরণ এবং ১,২০৫টি হ্যান্ড ওয়াসিং ডিভাইস স্থাপন করা হয়েছে।
  • ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ২০০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান জেলায় ২৩৬টি, রাঙামাটি জেলায় ১২০টি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ১২০টি ৬৫ওয়াট পিক ক্ষমতার সোলার হোম সিস্টেম সরবরাহ ও স্থাপন করা হয়। ৪৪০ জন উপকারভোগীকে সোলার সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
  • ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ২৪৪৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান জেলায় ২১২৪টি, রাঙামাটি জেলায় ১৭৫৩টি ও খাগড়াছড়ি জেলায় ১৫৩৭টি ৬৫ ওয়াট পিক ক্ষমতার সোলার হোম সিস্টেম সরবরাহ ও স্থাপন করা হয়।
  • প্রকেল্পের আরডিপিপি‘তে আরও ৫০০০টি সোলার হোম সিস্টেম ৫৮৯০টি মোবাইল চার্জার এবং ১২ ওয়াট পিকের পরিবর্তে ৩২ ওয়াট পিকের ২৩১৫টি সোলার কমিউনিটি সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
  • ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স উদ্বোধন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প– ২য় শীর্ষক পর্যায় প্রকল্প

  • জুলাই ২০১১ হতে জুন ২০১৯ মেয়াদে ৫১৫.১৮৪৭ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প-২য় পর্যায় শীর্ষক প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।
  • খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৪১টি বিদ্যালয় সংস্কার, ৪০টি নতুন বিদ্যালয় স্থাপন, ৬১টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সমপন্ন ও ১০৫টি বিদ্যালয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
  • ৬,২৮০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃষক-মাঠ-স্কুল নির্বাচন, কৃষক-মাঠ-স্কুলের প্রদর্শনী প্লটের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
  • খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার ৪টি উপজেলায় সরকারি স্বাস্থ্য সেবার পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকায় ২৭০ জন প্রশিক্ষিত মহিলা স্বাস্থ্যকর্মী ও মোবাইল মেডিকেল টিমের মাধ্যমে ৯৪,০০০ জনকে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে।
  • ৮টি উপজেলায় দুর্গম এলাকায় যেখানে বিদ্যুৎ নাই সেখানে প্রাণী সম্পদের ভ্যাকসিন রাখার জন্য ১১টি সোলার ফ্রিজ স্থাপন করা হয়েছে।
  • রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় ৩০টি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ২৮টি সরকারি অফিস/ সংস্থা জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
  • ২০২১ সালের মধ্যে পার্বত্য এলাকার প্রতিটি বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থাকরণ।
  • পার্বত্য এলাকায় পানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য কাপ্তাই লেক ও বড় নদীগুলো খননকরণ।
  • পার্বত্য এলাকায় উৎপাদিত পচনশীল খাবার সংরক্ষণের জন্য তিন পার্বত্য জেলায় কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ।
  • জেলার সাথে প্রতিটি ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক অবকাঠামো নির্মাণ। দেশি বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করার জন্য পর্যটন অবকাঠামো নির্মাণ।

 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সরকার,
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে