একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অংশ নিতে পারছেন না। তিন আসনেই খালেদা জিয়ার আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন।সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে খালেদা জিয়ার আবেদনের শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। ফলে এই নির্বাচনে তার অংশ নেয়ার আর সুযোগ থাকলো না।
খালেদার প্রার্থিতা বাতিলের বিপক্ষে ভোট দেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। অন্যদিকে প্রার্থিতা বাতিলের পক্ষে রায় দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা এবং নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, শাহাদাত হোসেন ও কবিতা খানম। পরে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আপিল আবেদনটি ৪-১ ভোটে নামঞ্জুর করা হয়েছে। দুপুরে খালেদা জিয়ার মনোনয়নের বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেছেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন এবং মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী।
খালেদা জিয়া ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু তিন আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করে দেন। এর বিরুদ্ধে তার পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়। পরে সন্ধ্যায় সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করে ইসি।
খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের দাবি, রিটার্নিং কর্মকর্তারা খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন নির্বাচনী অপরাধের অভিযোগে। কিন্তু, বিএনপির চেয়ারপারসনের সাজা হয়েছে দুর্নীতি মামলায়, নির্বাচনী অপরাধে নয়।
নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ
























