গত দশ বছরে বাগেরহাটে উল্লেখযোগ্য উন্নয়নের মধ্যে রয়েছে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র, আধুনিক সাইলো, চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রসহ বেশ কিছু প্রকল্প। সেই সঙ্গে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাটের উন্নয়নে সন্তুষ্ট দক্ষিণের এই জেলার মানুষ।
উপজেলার হিসেবে বাগেরহাটে সবচেয়ে বেশি মানুষের বসবাস মোরেলগঞ্জে। জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে তাদের একমাত্র যোগাযোগ সাইনবোর্ড-বগি সড়ক দিয়ে। খানাখন্দে ভরা সেই সড়কটি সংস্কারের পর উন্নীত হয়েছে আঞ্চলিক মহাসড়কে। কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখছে বাগেরহাটের ইনস্টিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি। এখানকার শিক্ষার্থীরা চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন দেশী-বিদেশী জাহাজে ও শিপ ইয়ার্ডে। মংলা বন্দরের উন্নয়ন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নাব্যতা ঠিক রাখতে নদী ড্রেজিং ও হাসপাতাল আধুনিকায়নের সুফল ভোগ করছেন স্থানীয়রা। আশা করা হচ্ছে পদ্মাসেতুর নির্মাণ শেষে আরো গতি পাবে বাগেরহাটের উন্নয়নের চাকা।
জেলা প্রশাসক বলছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সম্ভাবনাময় জেলা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বাগেরহাট। অপপ্রচার রুখে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এছাড়া কার্যক্রম শুরুর এক বছরেই ডিম ও বাচ্চা উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছে বাগেরহাট আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার। চিংড়ির উৎপাদন বাড়ানো ও চিংড়িজাত পণ্যের গুণগত মানোনয়নের লক্ষ্যে কাজ করচ্ছে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ




























