এজলাস সংকটে ভুগছে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে ট্রাইব্যুনাল সংখ্যা বাড়ানো হলেও এজলাস না থাকায় হয়রানিতে পড়ছেন বিচারপ্রার্থীসহ আদালত সংশ্লিষ্টরা। একটি এজলাসে সময় ভাগ করে চলছে দুটি করে ট্রাইব্যুনাল।
মামলা জট কমাতে ও দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে এ বছরের শুরুতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ৫ থেকে বাড়িয়ে ৯টি করা হয়েছে। তবে, অতিরিক্ত চারটির এজলাস না থাকায়, আগের ৫টিতেই কর্মঘণ্টা ভাগ করে চলে বিচার কাজ। এতে জটিলতা আরো বেড়েছে বলে অভিযোগ আইনজীবীদের। একটি ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পরিচালনায় সময় পাওয়া যাচ্ছে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। প্রতিদিন এ সময়ে ২৫ থেকে ৩০টি মামলা শুনানির সময় থাকে মাত্র চার থেকে ৫ মিনিট। তবে সংকট সমাধানে কাজ চলছে বলে জানান ঢাকা মহানগরের সরকারী কৌশলি।

রূপা বেগম সকাল থেকে মামলার শুনানির অপেক্ষা করে ক্লান্ত। তার মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- ৫ এ বিচারাধীন। কিন্তু একই এজালাসে দুপুর পর্যন্ত চলে ট্রাইব্যুনাল ৩-এর বিচার। দুই আদালতের কাজ একই এজলাসে চলায় রূপার মতোই ভোগান্তিতে অনেক বিচার প্রার্থী ও আইনজীবীরা। সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ১২ হাজার। নতুন ট্রাইব্যুনালে এজলাস সংকটের পাশাপাশি রয়েছে অফিস কক্ষ ও জনবল সংকট।
নিউজ ডেস্ক।। বিডি টাইম্স নিউজ














