ছবিটি নির্মিত হচ্ছে হোমো রিফ্লেক্টর প্রোডাকশন-এর ব্যানারে। বিপনণ, প্রযোজনা ও সমন্বয়ের কাজ করছে সিনেমোশন নামে চলচ্চিত্রপ্রেমী সমাজের বিভিন্ন পেশার কিছু উদ্যোগী মানুষের প্ল্যাটফর্ম। ছবিটি এ উদ্যোগের প্রথম পরিবেশনা।

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি নির্বাহী প্রযোজকের দায়িত্বও পালন করছেন। এছাড়াও ছবিটিতে অভিনয় করেছেন কামাল আহমেদ, মনিরুজ্জামান মনি, কৌশিক সাহা, আবিদ আজাদ, ফাতেমাতু্জ-জোহরা, হিরা চাকমা ও খন্দকার বদরুল আলম।

সম্পাদনা করছেন সামীর আহমেদ। চিত্রগ্রহণ করেছেন পান্থ রহমান, শব্দ সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছেন নাহিদ মাসুদ। শিল্প নির্দেশনায় ছিলেন শান্তনু হালদার। সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন রাফাত জামিল, শুভ সাদিক ও রাশা নুয়েল।

চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন জায়েদ সিদ্দিকী। মূল ভাবনা ও চিত্রনাট্যও তার। নির্মাতা গ্লিটজকে জানান, ১৬ অক্টোবর মেইলে আয়োজকরা বিষয়টি আমাদের নিশ্চিত করেছেন। নভেম্বরে আয়োজন করা হবে চলচ্চিত্র উৎসবটি। এটি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটি পাঠানো হয়েছে।

উৎসবে যাওয়ার আগে শনিবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে চলচ্চিত্রটির উদ্বোধনী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে বলে জানান জানান নির্মাতা। এতে একজন চিত্রশিল্পী ও লেখকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনয়শিল্পী জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। গল্প ও সংলাপ লিখেছেন হেলাল মহিউদ্দিন। এতে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রের নাম ভাস্কর চৌধুরী। তিনি দু’টি খেরোখাতায় সমাজের সুন্দর ও অসুন্দর ঘটনাচিত্র সংরক্ষণ করেন।

‘পূর্ণগ্রাসের কাল’- শিরোনামের সামাজিক অসঙ্গতির খেরোখাতাটি একবার রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায়। আবার রহস্যজনকভাবে ফেরতও পান। যেদিন ফেরত পান সেদিন জঙ্গিরা তাঁকে হত্যা করতে আসে। তারাই খেরোখাতাটি চুরি করেছিল। জঙ্গিরা তার অস্ত্রহীন যুদ্ধকৌশলের কাছে পরাজিত হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে