শিক্ষার্থী আন্দোলন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ, পুলিশের ট্রাফিক সপ্তাহ পালন- কোন কিছুতেই ফিরছে না সড়কে শৃঙ্খলা। ফিটনেসহীন গাড়ি, অদক্ষ চালক আর পথচারীর অসাবধানতায় ঘটছে দুর্ঘটনা। ফ্রাঞ্চাইজি পদ্ধতি চালু না করা পর্যন্ত সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয় বলছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা।
ঢাকার নাবিস্কো। প্রায় প্রতিটি বাস এসে থামছে জেব্রা ক্রসিংয়ের ওপর। অনেক চালকই জানেন না জেব্রা ক্রসিং কী। দেখা যায়নি চালক ও হেলপারের নাম-ছবি, চালকের লাইসেন্স ও মোবাইল নম্বর প্রদর্শনের ব্যবস্থা। দূর পাল্লার বাসে নেই চালক ও যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহার। গাড়ির দরজা বন্ধের বিষয়ে কিছুটা অগ্রগতি হলেও এখনো যেখানে-সেখানে যাত্রী তুলছে বাসগুলো। নিয়ম মানছে না পথচারীরাও। চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে সড়ক পারাপার এবং ফুটওভারব্রিজ ব্যবহারে অনীহা নিয়মিত দৃশ্য। ফুটপাত দখলমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ থাকলেও বাস্তবে এর প্রতিফলন নেই। হাঁটার জায়গা বন্ধ করা হয়েছে গাড়ি পার্ক করে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউটের তথ্যানুযায়ী বছরের প্রথম ৯ মাসে দেশে ২ হাজার ৬৫১টি দুর্ঘটনায় মারা গেছে ৩ হাজার ১১২ জন। শুধু ঢাকায় ২২৪ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ২১৫ জনের। শুধু আইন দিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো সম্ভব নয় বলছে পুলিশ। সেক্ষেত্রে ফ্র্যাঞ্চাইজির বিকল্প দেখছেন না যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। রাজধানীতে দুইশোর বেশি কোম্পানির বাস চলে। এদের নিয়ন্ত্রণ না করে সড়কে স্বস্তি ফেরানো সম্ভব নয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
নিউজ ডেস্ক।।বিডি টাইম্স নিউজ
























