এশিয়া কাপে টিকে থাকতে হলে জয় ছাড়া বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। কিন্তু আরেকটি রুপকথার ক্ষেত্র প্রস্তুত করছিল আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল আট রান, হাতে ছিল চার উইকেট। তবে শেষ ওভারে পেসার মুস্তাফিজের যাদুতে বেঁচে রইলো বাংলাদেশের ফাইনালের স্বপ্ন। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল আফগানিস্তান।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানেই নেই টাইগারদের দু’উইকেট। লিটন-মুশফিকের ৬৫ রানের পার্টনারশিপে চাপ কাটিয়ে উঠে টাইগাররা। এর মধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেটে পাঁচ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন মুশফিক। ব্যক্তিগত ৪১ রান করে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন লিটন।এরপরই সাকিব-মুশফিকের দুজনেই রানআউট হয়ে ফিরে গেলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় আফগানদের হাতে। তবে ইমরুল – মাহমুদুল্লাহর ১২৮ রানের পার্টনারশিপে সাত উইকেটে ২৪৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়তে সমর্থ হয় বাংলাদেশ। ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন মাহমুদুল্লাহ। ৭২ রানে অপরাজিত ছিলেন ইমরুল।
২৫০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২৬ রানেই দুউইকেট হারায় আফগানিস্তান। তবে শাহজাদের হাফ সেঞ্চুরিতে লড়াইয়ে ফিরে আসে দলটি।তাকে ফিরিয়ে ব্র্কেথ্রু এনে দেন মাহমুদুল্লাহ। অধিনাক আসগর ও হাসমুতুল্লাহর দারুণ ব্যাটিংয়ে জয়ের দিকে এগোচ্ছিলো আফগনরা। দুজনকে ফিরিয়ে টাইগারদের স্বস্তি এনে দেন মাশরাফি। আর এরই মধ্য দিয়ে প্রথম বাংলাদেশী বোলার হিসেবে ওয়ানডেতে ২৫০ উইকেট শিকারের মাইলফলক স্পর্শ করেন ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিক।
এরপরও মোহাম্মদ নবীর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন দেখছিল আফগানরা। ৪৯তম ওভারে নবীর উইকেট তুলে নেন সাকিব। শেষ ওভারে মুস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে সাত উইকেটে ২৪৬ রানে থেমে যায় আফগানিস্তান।এদিকে দুবাইতে রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ানের জোড়া সেঞ্চুরিতে পাকিস্তানকে নয় উইকেটে হারিয়েছে ভারত।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সাত উইকেটে ২৩৭ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। ২৩৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ৬৩ বল বাকি থাকতেই জয়ের ঠিকানায় পৌঁছে যায় ভারত।
বৈশাখী



























