২০ বছর পর ফুটবল বিশ্বের শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করল ফ্রান্স। ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় শিরোপা জিতল দিদিয়ের দেশমের দল। আত্মঘাতী-পেনাল্টি গোলের সৌভাগ্যের সাথে এমবাপে-পগবার অসাধারণ গোলে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয় ক্রোয়াটদের। ১৯৯৮ সালে সেমি থেকে বিদায়ের পর আবারও ফ্রান্সের কাছে স্বপ্নভঙ্গ মডরিচ-প্যারিসিচদের।

অঘটনের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ফেবারিট ফ্রান্স। ক্রোয়েশিয়াকে ধুমড়েমুচড়ে বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্য। ২০ বছর পর শিরোপা পুনরুদ্ধার করলো রোমাঞ্চকর ফাইনালে উজ্জ্বল ফ্রান্স। টিনেজার হিসেবে পেলের পর ফাইনালে গোলের কীর্তি এমবাপের। মারিও জাগালো ও ফ্রাঞ্চ বেকেনবাওয়ারের পর শিরোপা জয়ের রেকর্ড দিদিয়ের দেশমের।

লুঝনিকিতে ফাইনালের চাপ নিতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া। শুরুতে ভুল করেন মারিও মানজুকিচ। আনতোয়ান গ্রিজম্যানের ফ্রি-কিক ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়ান। বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখলো প্রথম আত্মঘাতী গোল।

এগারো মিনিট পর ম্যাচে ফিরে ক্রোয়েশিয়া। ভিদার অ্যাসিস্ট থেকে পেরিসিচের সমতা।
কিছুক্ষণের মধ্যে নায়ক থেকে ভিলেন পেরিসিচ। ইচ্ছাকৃত বল থামিয়ে পেনাল্টি উপহার দেন। ভিএআরে নিশ্চিত হন রেফারি। স্পটকিকে ভুল করেননি আনতোয়ান গ্রিজম্যান। আসরে চার গোল। এরমধ্যে তিনটাই স্পটকিকে।

বিরতির আগে সমতা ফেরানোর সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি রেবিচ, মানজুকিচরা।
১৯৩০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জিতেছিলো উরুগুয়ে। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির চ্যালেঞ্জ ক্রোয়েশিয়ার। রেবিচ সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু ক্রোয়াটদের নিরাশ করেন হুগো লরিস।

উল্টো ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় ফ্রান্স। এমবাপে, গ্রিজম্যানের ওয়ান টু ওয়ানের পর পগবার নিখুঁত ফিনিশিং। আগের গোলে অবদান রেখেছেন। এবার নিজে স্কোরশিটে নাম লেখান।
শিরোপা থেকে বিশ মিনিট দূরে থাকতে মনোযোগ হারান লরিস। সুযোগ সন্ধানী মানজুকিচ ব্যবধান কমান। এরপর ভুলের পুনরাবৃত্তি হতে দেননি উমতিতি, ভারানেরা। শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে লুঝনিকিতে বুনো উল্লাস। স্তাদে দ্য ফ্রান্সের পর লুঝনিকিতে ছড়াল ফরাসি সৌরভ।
অনলাইন ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























