যমুনা নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও চৌহালী উপজেলার অন্তত ৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে কোথাও কোথাও খোলা মাঠেই পাঠদান করা হচ্ছে। আবার কোথাও টিনের ছাউনি তুলে ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান চলছে। তবে বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তবে দ্রুততম সময়ে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
যমুনার কোল ঘেঁষেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচি আর চৌহালী উপজেলা। এই দুটি উপজেলা গত কয়েক বছর ধরেই নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। এ বছরের বর্ষা মৌসুমেও অন্যান্য স্থাপনার পাশাপাশি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে ছয়টি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠান হারিয়ে বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে কোন রকমে শিক্ষা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বৃষ্টি আর রোদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে শিশু শিক্ষার্থীরা। ব্যাহত হচ্ছে এই অঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থা।
পাঠদান সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের সংকটও দেখা দিয়েছে। এ সংকট দূর করার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার উপযুক্ত পরিবেশ করে দেবার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকেরা। নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে টিন দিয়ে ছাউনি তুলে পাঠদান সচল রাখা হয়েছে বলে জানালেন বেলকুচি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। বরাদ্দ পেলে আবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ বেলকুচি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। শিশুদের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত পদক্ষেপ নেবার প্রত্যাশা করছেন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।





























