নিজস্ব সংবাদদাতাঃ লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির চাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এখনো পানিবন্দী হয়ে আছে নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের ৫হাজার পরিবার। পানিতে তলিয়ে গেছে রোপা আমন, শাকসবজিসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত।

এদিকে, নীলফামারীতে তিস্তার পানি বিপসীমার নিচে নেমে গেলেও পানি বন্দি হয়ে ভোগান্তিতে রয়েছে ডিমলা উপজেলার ১৫টি চর গ্রামের দুইহাজার মানুষ। অন্যদিকে, কুড়িগ্রামে তিস্তাসহ সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বসত বাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙনও। এছাড়াও তিস্তার পানি রংপুরের কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়ার বেশ কয়েকটি গ্রামের পানি প্রবেশ করায় কয়েক’শ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে