আজ বিশ্ব মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন ডে ; ২০১৪ সাল থেকে দিনটি পালন করা হচ্ছে ঋতুকালীন সময়ে নারীদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টিতে । এই সময়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা এবং পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাবে নারীদের জরায়ুর ক্যান্সার, বন্ধাত্বসহ নানা ধরণের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে ‘নো মোর লিমিটস’। পিরিয়ড বা মাসিক চক্র নারীজন্মের একটি অন্যতম অনুষঙ্গ। বয়ঃসন্ধিকাল থেকে প্রত্যেক নারীর জন্যই এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। বিশ্বে প্রতিদিন গড়ে ৮০ কোটি নারী এই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যান ।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনডোর মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিনা নাসরিন জানান সামাজিক নানা বিধি নিষেধের বেড়াজালে নারীদের এই স্বাভাবিক ঘটনা লোকলজ্জায় পরিণত হয়। যার কারণে প্রয়োজনীয় সতর্কতা কিংবা প্রাপ্য যত্ন থেকে বঞ্চিত হন অধিকাংশ নারী। এই বিষয়টি গ্রামাঞ্চলেই বেশি দেখা যায় বলে জানান। বাংলাদেশে ৪০ শতাংশ মেয়ে পিরিয়ডের সময় অন্তত তিন দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষকদের এগিয়ে আসা এবং ঋতুকালীন সময়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকার প্রতি জোর দিলেন কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বিলকিস বেগম চৌধুরী।
ঋতুস্রাব নিয়ে অকারণ অস্বস্তি কাটিয়ে, নারী তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হবে, এমন প্রত্যাশা নিয়েই পালিত হচ্ছে বিশ্ব মেনস্ট্রুয়াল হাইজিন ডে।
অনলাইন ডেস্ক



























