টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে পানি বাড়ছে দেশের পূর্বাঞ্চলীয় সিলেট সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোণার নদী হাওড়ে। সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর। এছাড়া নেত্রকোণার কংস, সোমেশ্বরীসহ বেশ কিছু নদীর পানিও বেড়েছে। এতে এসব অঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সিলেটে নগরী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতা আছে। তবে কমেছে তিস্তা ও ধরলার পানি। লালমনিরহাটে তিস্তার কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।
দেশের পূর্বাঞ্চলের নদনদীর পানি আরও বেড়েছে। গত কয়েকদিনের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলেপানিবন্দি হয়ে পড়ে শতাধিক পরিবার। সুরমা নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে প্লাবিত হয়েছে শহরের নিম্নাঞ্চল। বন্যার আশংকায় আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন অনেক পরিবার। এছাড়া সুনামগঞ্জ নার্সিং ইনস্টিটিউটেও কয়েকটি পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল কম থাকায় বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুদ্দোহা। সিলেটে নগরী ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা এখনো জলাবদ্ধ হয়ে আছে। ব্যাহত হচ্ছে যান চলাচল। এদিকে পাহাড়ি ঢলে পানি বেড়েছে নেত্রকোণার কংস ও সোমেশ্বরী নদীর। এতে প্লাবিত হয়েছে নেত্রকোণা সদর, কলমাকান্দাসহ বেশকিছু এলাকার নিন্মাঞ্চল। বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কলমাকান্দা উপজেলার উব্দাখালী নদীর পানি।
বন্যা মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া আছে বলে জানান নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ। লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রনে ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি কমতে থাকায় তিস্তার বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন।





























