
এস.এম. পারভেজ, ঝালকাঠি প্রতিনিধ।। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষ্যে মশার উপদ্রব কমাতে ও খালের ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করে নব্যতা ফিরিয়ে আনতে পরিস্কারপরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে পৌর কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের পশ্চিম পাশের খাল থেকে সুগন্ধা নদী পর্যন্ত এ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়। এ’সময় পরিচ্ছন্নতা কাজের পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, প্যানেল মেয়র তরুণ কর্মকার, জেলা পরিষদ সদস্য শামসুল ইকরাম পিরু প্রমুখ। পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, ঝালকাঠি শহরের একসময় জালের মতোই ছড়িয়ে ছিটিয়ে অনেকগুলো খাল ছিলো। প্রত্যেকটা খালের প্রস্থও ছিলো ১৫/২০ফুট। দীর্ঘ কয়েক বছরে খালের পার্শ্ববর্তি বাসিন্দারা ময়লা আবর্জনা ফেলে তা ভরাট করে ফেলছে।
অনেকে পাকা স্থাপনায় বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে। যার ফলে সংকুচিত হয়ে অনেক খাল অস্তিত্ব হিসেবে ময়লা আবর্জনায় ভরা আছে। আবার অনেক খালের কোন চিহ্নই নাই। যেই খালগুলোর অস্তিত্ব আছে সেগুলো পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে পরিস্কার করা হচ্ছে। পানির প্রবাহ স্বাভাবিক থাকলে ময়লা আবর্জনা অপসারণ হয়ে যাবে। এর ফলে মশার প্রজনন কমে যাবে। বর্তমানে সারা দেশে যে হারে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দিচ্ছে তা থেকে ঝালকাঠি বাসীকে রক্ষার চেষ্টা করছি। তিনি আরো বলেন, গরমে মশার উপদ্রব বেশি বৃদ্ধি পায়। এজন্য পৌর পরিষদের সভায় মশা নিধনের জন্য দীর্ঘস্থায়ী কোন ঔষধ পাওয়া যাবে কি না তারও খোঁজ নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিচ্ছন্ন অভিযানের পাশাপাশি মশা নিধনের ঔষধ ব্যবহার করলে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার খাল খননের ব্যাপারে বলেন, সরকার যদি সরকারী খাল উদ্ধারে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাহলে আমরা পৌর কর্তৃপক্ষ সবধরনের সহায়তা করবো। এবং পূবের্র নকশা অনুযায়ী খাল খনন করে শহরের পরিবেশ ফিরিয়ে আধুনিক ও আলোকিত ঝালকাঠি গড়ার আহŸান জানান তিনি।
ঝালকাঠি নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























