
ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশর পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। স্মার্ট বাংলাদেশের এই ভিশন বাস্তবায়নে ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের মধ্যে ত্রিমাত্রিক বন্ধন তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) রাতে রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে ‘ফ্রম ডিজিটাল বাংলাদেশ টুওয়ার্ডস স্মার্ট বালাদেশ’ শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তথ্য প্রযুক্তির জ্ঞান অর্জন ও গবেষনার সুযোগ সৃষ্টি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনিবেটর স্থাপনের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদের তত্ত্বাবধানে স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য ইন্ডাস্ট্রি, গভর্নমেন্ট এবং একাডেমিয়ার কোলাবরেশন করা হবে। পলক বলেন, আগামী ২০৪১ সাল নাগাদ সফটওয়্যার ও আইটি খাতে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বৈদেশিক আয় সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ৯৯৯ থেকে চলতি সাত বছরে ৫ কোটি সেবা দেয়া হয়েছে। ৩৩৩ থেকে সেবা পেয়েছেন সাড়ে ৭ কোটি নাগরিক। সরকারের ৫২ হাজার ওয়েবসাইটের প্রতিটির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বেসিস উদ্যোক্তারা। ডিজিটাল সুরক্ষা কার্যক্রম গ্রহণে বিশ্বে ৩২তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। আশাকরা হচ্ছে, ২০২৫ সালে ই-কমার্স খাতে প্রবৃদ্ধি বেড়ে দাঁড়াবে ৮০ শতাংশ। ডিজিটাল ফাইন্যান্সে ৫০০ শতাংশ এবং ডিজিটাল ডিভাইসে ৪০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, আমরা ৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রোবটিক্স, এআই, মেশিন লার্নিং, মাইক্রোচিপ ডিজাইনিং, ভিএলস এসআই ও সাইবার সুরক্ষা নিয়ে ল্যাব স্থাপন করবো। ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সেন্টার ফর ফোর আইআর স্থাপন করবো। ৪১ সাল নাগাদ আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দিতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তুলবো। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে আমরা পরিণত হয়েছি। বৈশ্বিক পেক্ষাপটে ১০ শতাংশ সফল হলেও আমরা যেসব স্টার্টআপ কোম্পানিগুলোতে বিনিয়োগ করেছি তাদের সফলতার হার ৩০ শতাংশের ওপর। বিশ্বের বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগের সর্বোত্তম জায়গা হিসেবে বাংলাদেশকে বেছে নিচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে আমরা উন্নত দেশে পরিণত হতে চাই। তখন আমাদের মাথাপিছু আয় ১২ হাজার ৫০০ ডলার ছাড়িয়ে যাবে।














