গত শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, যারা দলীয শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে তাদের মধ্যে শতাধিক নেতা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছেন। সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমা করেছেন। জাতীয় কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে ক্ষমা করেছে। এর বাইরে কেউ থাকলে, তারাও ক্ষমা পাবেন। এদিকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ ক্ষমা করায় বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যতা ফিরে আসতে শুরু করেছে। শনিবার দুপুরে বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণায় আনন্দে একে-অপরকে মিষ্টি মুখ করান। জাতীয় শ্রমিক লীগের বেলকুচি উপজেলা শাখার সভাপতি সাহেব আলী ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ মিয়া জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায় ক্ষমা করায় বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে আনন্দ এবং উচ্ছ্বাস বইছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় আমরা সাধুবাদ জানাই। তারা আরও বলেন, বেলকুচি উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের অন্তর্দন্দে দল অনেকটাই দূর্বল হয়েছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায় ক্ষমা করায় বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগে প্রাণ ফিরে এসেছে। নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আমরা এখন অনেক শক্তিশালী। বিরোধী দলীয় সকল অপকর্ম রাজপথে প্রতিহত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবো। কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক চাঁন মোহাম্মদ বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থীসহ দলের নেতাকর্মীদের দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড সাধারণ ক্ষমা করায় বেলকুচিতে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে আনন্দ উদ্দীপনা বিরাজ করছে। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাই।
বেলকুচি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বেগম আশানুর বিশ্বাস বলেন, আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উত্তম কাজ করেছেন, দল সবাইকে নিয়েই করতে হবে এবং যাদের ক্ষমা করে দিয়েছেন তারা অন্য দলের বা বাইরের কেউ না। তারা সবাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী। সামনে জাতীয় নির্বাচন, সবাইকে সাথে নিয়েই রাজনীতি করতে হবে। সর্বোপরি আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।





























