স্টাফ রিপোর্টারঃ অভিযোগ পাওয়ার পরেও ভুয়া সার্টিফিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগ। লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার পরেও ভুয়া সনদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহন না করার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
ভুক্তভোগী ঠিকাদার অভিযোগ করার পরেও ভুয়া এবং জাল সনদের মাধ্যমে কাজ ভাগিয়ে নেওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশনের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে ইভুলেশন প্রক্রিয়া স্থবির রেখে ভুয়া সনদে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করার গুঞ্জন চলার তথ্য পাওয়া গেছে সড়ক বিভাগের বিশ্বস্ত সূত্র থেকে।গত ১১-১০-২০২২ ইং তারিখে লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী OTM পদ্ধতিতে তিনটি কাজের দরপত্র আহবান করেন।উক্ত টেন্ডারে ভুয়া সনদ দাখিল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
অংশগ্রহণকারী অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানে আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশনের বিরুদ্ধে এর আগেও অনেকগুলো অভিযোগ রয়েছে প্রতারণা এবং ভুয়া সার্টিফিকেট দাখিলের।ভুয়া সার্টিফিকেট দাখিল করার কারণে গত ১২-০১-২০২২ ইং তারিখ এবং ১৩-০২-২০২২ ইং তারিখে সাতক্ষীরা (স্মারক নঃ৩৫.০১.৮৭০০.৪৬৯ .১৬.০০১.২০-১১৪৪ ও বাগেরহাট (স্মারক নংঃ৩৫.০১.০১০৮.৪০০.১৬.৪১৭.২১-২৪১৫) সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীগন আলাদা দুটি চিঠি ইস্যু করেন।দুটো চিঠিতেই আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশনের বিরুদ্ধে ভুয়া Completion certificate দাখিল করে Fraudulent practices – এর সমান শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার বিষয়ে অভিযুক্ত করেন। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কালো তালিকাভুক্ত করতঃ PPR-2008 এর বিধি অনুসারে এবং দরপত্রের শর্তানুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার সুপারিশ করা হয়।এছাড়াও সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাক্ষরিত এক চিঠি (স্মারকঃ ৩৫.০০.০০০০.০২৮.২৭.০০২.২০-৩৪২)ইস্যু করেন।
উল্লেখ্য চিঠির বিষয় ছিলোঃ আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন গত ৩ বছরে ভুয়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে কাজ পাওয়ায় আর্থিক দূর্নীতি তদন্ত ও জড়িত দ্বায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি প্রদান। ১০’কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয় উক্ত চিঠিতে।কিন্ত তদন্ত প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি।
আবেদ মনসুর কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান- সিপিটিউর তথ্য অনুযায়ী-২০১৭ সালে ২২,৮৪,৪৩২ টাকা মূল্যের,২০১৮ সালে ৩,১৭,৮০৬০৫ টাকা মূল্যের,২০১৯ সালে ৫০,৯৫,৬০৭৬০ টাকা মূল্যের২০২০ সালে ১৩৭,২৩,৬৯৯৫১ টাকা মূল্যের এবং ২০২১ সালে ২৭৮,২৬,৯৬৮০৮ টাকা মূল্যের কাজ করে।বর্তমান ক্রয় নীতি এবং পিপিআর আইনের সাথে উক্ত পর্যালোচিত তথ্য ভয়ংকর ভাবে সাংঘর্ষিক।সরকারের ক্রয় নীতিকে তোয়াক্কা না করে কিভাবে ৩/৪ বছরে বৃহৎ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রুপান্তরিত হয়েছে,তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ঠিকাদার সমাজে। এই বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান আমাদের কাছে আবেদ মুনসুরের দাখিলকৃত কাগজ সঠিক মনে হয়েছে, কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি।
লক্ষ্মীপুর নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ





























