খোরশেদ আলম, সোনাইমুড়ী(নোয়াখালী)প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে থানা পুলিশের উপস্থিতিতে এক নিরীহ ব্যক্তির বসতঘরের সামনে সীমানাপ্রাচীর দিয়ে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটে ১৬-অক্টবর রবিবার দুপুরে উপজেলার আমিশাপাড়া মানিক্য নগর গ্রামের মোল্লা বাড়িতে।
ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, উপজেলার আমিশাপাড়া ইউনিয়নের মানিক্য নগর গ্রামের মোতাহার হোসেন বাহারের ছেলে ইলিয়াছ হোসেন তার পৈতৃক সম্পত্তিতে তার অন্য তিন সহোদরপরিবারপরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছে। রবিবার দুপুরে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে এএসআই মোজাম্মেল এর উপস্থিতিতে হঠাৎ তার জেঠা মোশাররফ হোসেনের সন্তানরা এসে ভুক্তভোগীর বসতঘরের সামনে পাকা সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করতে থাকে। ইলিয়াস হোসেন ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাঁধা দিলে মোশাররফ হোসেনের সন্তানেরা বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে তাদেরকে মারধর করে। পরে ভূূুক্তভোগী সোনাইমুড়ী থানায় অভিযোগ দিতে গেলে ওসি হারুন অর রশীদ ইলিয়াস হোসেনকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে একপর্যায়ে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেয় বলে ভুক্তভোগী জানান।
মানিক্য নগর ওয়ার্ড মেম্বার আবু তাহের জানান,থানার ওসি হারুন অর রশীদের নির্দেশে জায়গাটি দখল করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ইলিয়াছ হোসেন কান্না জড়িত কণ্ঠে সাংবাদিকদের জানান,আমার পৈতৃক সম্পত্তির মধ্যে বসবাস করছি। বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী এনে থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে মারধর করে ঘরের সামনে পাকা সীমানাপ্রচীর নির্মাণ করছে প্রতিপক্ষরা। থানায় প্রতিকার চাইতে গেলে ওসি উল্টো গালমন্দ করে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে আমাকে বের করে দেয়।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি হারুন অর রশীদ বলেন,উভয়ের পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। ঘটনাস্থলে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পুলিশ রয়েছে। তবে এ ঘটনায় প্রতিপক্ষ মোশাররফ হোসেনের সন্তানরা কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে এবিষয়ে বক্তব্য নিতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সোনাইমুড়ী নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ





























