প্রয়োজন ছাড়া সিজার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ নির্বাহী। সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে কোনো হাসপাতাল সিজার করলে তাদের বাধ্যতামূলক ফরম পূরণ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে কে জানাতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এ নির্দেশ দিয়েছেন। প্রয়োজন ছাড়া সিজার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন,অভিযোগ রয়েছে বাংলাদেশে সিজারের (অস্ত্রোপ্রচারের মাধ্যমে শিশুর জন্ম) হার অনেক বেড়ে গেছে।


মহাপরিচালক তার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটা আমরা স্বীকারও করি। কিন্তু সিজার করার প্রয়োজন যেখানে হবে না সেখানে যেন সিজার না করা হয় । সেটা আমরা মেনে নেব না। সেজন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে একটা ফর্ম তৈরি করেছি। কোনো হাসপাতাল সিজার করলে তাদের বাধ্যতামূলক ফরম পূরণ করে আমাদেরকে জানাতে হবে। জানা যায়, বিষয়টি মনিটরিং করা হবে। নিয়মিত তদারক টিম কাজ করবে।মহাপরিচালক বলেন, তারা যে তথ্য দিচ্ছে তা সঠিক কি না আমরা যাচাই করব। যারা প্রয়োজন না হওয়া সত্ত্বেও সিজার করবে তাদের বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সরকার এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে।

দেশের মিডিয়ায় ও গবেষনায় তথ্য আছে যে, বাংলাদেশে সিজারিয়ান সেকশন ভয়াবহ।অদরকারি সিজার হচ্ছে। এটা মাতৃস্বাস্থ্য ও শিশু স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়। এ নিয়ে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত অবহিত করছেন। কোন কাজই হচ্ছে না। বাংলাদেশে সিজারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানে সিজারের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত স্বাভাবিক বলে মনে করা হয়৷ কিন্তু বাংলাদেশে এই সংখ্যা ৩৫ শতাংশ পেরিয়ে গেছে।

সকল প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

নিউজ ডেস্ক । বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে