চলতি বছেরর বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি কম হওয়ায় রাজধানীতে অসনীয় হয়ে উঠেছে বায়ু দূষণ। বাতাসে অতিমাত্রায় ভাসছে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড। রাজধানীর ৪০ পয়েন্টে বাতাসের মান যাচাই করে এতথ্য জানিয়েছেন গবেষকরা। ক্ষতিকর এই রাসয়নিকে ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য। গত দশ বছরে বেড়েছে কম ওজনের নবজাতকের জন্ম ও গলা ও ফুসফুসের রোগ।

বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় বর্ষায় ধুলো কম ওড়ায় বায়ু দূষণ থাকে সহনী। তবে এবার বৃষ্টি কম হওয়া ও রাজধানীতে অতিরিক্ত খোঁড়াখুঁড়ি, খোলা জায়গায় নির্মাণ সামগ্রী রাখা ও সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ায় পরিস্থিতি হয়েছে দুর্বিসহ। মহানগরীর ৪০ পয়েন্টে বাতাসের মান যাচাই করে, গবেষকেরা বলছেন, তেজগাঁও, গাবতলী, উত্তরা, উত্তরখান ও ঢাকার বাইরে টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জের পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা হেলথ ইফেক্টস ইনস্টিটিউটের তথ্য বলছে, বাতাসে ১২ থেকে ১৫ মাইক্রোগ্রাম ভাসমান অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা সহনীয়, তবে রাজধানীতে ভাসছে ৭১ মাইক্রগ্রামের বেশি। এতে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় আছে নাইট্রোজন ডাই অক্সাইড। আর এই বায়ু দূষণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি জনস্বাস্থ্যের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের গবেষণা বলছে, রাজধানীতে এখন কম ওজনের নবজাতক জন্ম নিচ্ছে বেশি। পাশাপাশি বাড়ছে গলা-ফুঁসফুঁসের রোগের প্রকোপ। জনস্বাস্থ্য গবেষকরা বলছেন, বায়ু দুষণ থেকে প্রাথমিকভাবে বাঁচতে মাস্ক পড়ার বিকল্প নেই।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে