ফারমার্স সহ অন্যান্য ব্যাংকের যখন নাজুক অবস্থা তখন আরও চারটি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্স দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে আছে সরকারি খাতে পুলিশ ব্যাংক ও বেসরকারি ৩টি। এর মধ্যে রয়েছে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের বাংলা ব্যাংক, পিপলস ব্যাংক ও সিটিজেন ব্যাংক এবং পুলিশ বাহিনীর জন্য পুলিশ ব্যাংক। তবে এখন নতুন ব্যাংকের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। বর্তমান তারল্য সঙ্কট বিবেচনায় নতুন ব্যাংকের জন্য ব্যবসা করা কঠিন হবে মত ব্যাংক নির্বাহীদের।

২০১৩ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় ৯টি ব্যাংকের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কয়েক বছর যেতে না যেতেই চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোতে বেড়েছে খেলাপী ঋণের হার। নিয়ন্ত্রণহীনভাবে চলতে গিয়ে আর্থিক অনিয়ম ও ঋণ কেলেঙ্কারিতে পড়েছে দুটি ব্যাংক। এরপরও বর্তমান মেয়াদের শেষ বছরে সরকার আরও ৪টি ব্যাংকের লাইসেন্স দিতে চায়।

প্রস্তাবিত ব্যাংকের উদ্যোক্তা বলছেন, লাইসেন্স পেলে শর্ত মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যাংকিং খাতের সাম্প্রতিক অস্থিরতায় নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পক্ষে কোনও যুক্তি নেই। আরও ৩টি ব্যাংক আসলে এই ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা আরো বাড়বে।

ব্যাংক নির্বাহীরা বলছেন, তীব্র তারল্য সঙ্কটে ধুঁকছে বেসরকারি ব্যাংকগুলো। এর মধ্যে নতুন ব্যাংক আসলে সুদের হার নিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগতার সৃষ্টি হবে।

দেশের প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ এখনও ব্যাংকিং সেবার বাইরে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে সেবার আওতায় আনতে জোর দিতে হবে এজেন্ট ব্যাংকিং এ। পাশাপাশি পুরনো ব্যাংকের সেবা বাড়ানোর পরামর্শ তাদের।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে