উন্নয়নশীল দেশের প্রাথমিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের বেরিয়ে আসার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে জাতিসংঘ। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে পারলে চূড়ান্তভাবে ২০২৪ সালে এলডিসির তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বাংলাদেশ। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাফল্য ধরে রাখার মূল চ্যালেঞ্জ বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

১৯৭৫ সাল থেকে জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ। স্বল্পোন্নত থেকে উত্তরণে মাথাপিছু আয়, মানব সম্পদ ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা এই তিন সূচকের দুইটি পূরণ করতে হয়।
জাতিসংঘের শর্ত আনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় ১২৩০ ডলার পার করতে হবে। যা বাংলাদেশের ১২শ৭২ ডলার। মানবসম্পদ সূচকে ৬৬ প্রয়োজন হলেও বাংলাদেশ অর্জন করেছে ৭২। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতায় বাংলাদেশের পয়েন্ট এখন ২৫। এই পয়েন্ট ৩২ বা এর কম হলে উন্নয়নশীল দেশের যোগ্যতা অর্জন হয়। জাতিসংঘের সিডিপির বৈঠকে বলা হয়, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার তিনটি শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশ।

উন্নয়নশীল দেশের প্রাথমিক স্বীকৃতি পাবার পর ২০২১ সালে এ বিষয়ে প্রথম পর্যালোচনা হবে। এরপর ২০২৪ সালে আরেকটি মূল্যায়ন হবে।বিশ্লেষকরা বলছেন, ছয় বছর পর এ স্বীকৃতি অর্জনে বাড়াতে হবে বিনিয়োগ। পাশাপাশি প্রয়োজন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।উন্নয়নশীল দেশের কাতারে গেলেও স্বল্পোন্নত দেশের সব বাণিজ্যসুবিধা অব্যাহত থাকবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে