
ইউক্রেনে রুশ সেনা অভিযানের তীব্রতা বাড়ছে। একের পর এক শহর দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে রুশ সেনারা। রুশদের হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনে সমরাস্ত্র পাঠাচ্ছে বিভিন্ন পশ্চিমা দেশ। তবে ইউক্রেনকে বিভিন্ন দিক থেকে ঘিরে রেখেছে রুশ সেনারা। দেশটির আকাশসীমাও রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। তাই স্থলপথে ইউক্রেনে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হচ্ছে পোল্যান্ডসহ পশ্চিম সীমান্তের দেশগুলো দিয়ে।
ইউক্রেনের উত্তর, দক্ষিণ এবং পূর্বাঞ্চলে অবস্থান করছে রুশ সেনারা। সেই সাথে যুদ্ধ চলার কারণে ইউক্রেনের আকাশসীমায় বন্ধ আছে বিমান চলাচল। ফলে বিভিন্ন রাষ্ট্র ইউক্রেনে সামরিক সরঞ্জাম পাঠাতে চাইলেও দেখা দিয়েছে জটিলতা। এ অবস্থায় তাদের সীমান্ত ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
বিবিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো থেকে পাঠানো অস্ত্র-গোলাবারুদ ইউক্রেনে যাচ্ছে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত দিয়ে, বিশেষ করে পোল্যান্ড হয়ে। বিভিন্ন সমরাস্ত্র বিমানে করে প্রথমে পোল্যান্ডে পাঠানো হচ্ছে। পরে সড়কপথে সেগুলো ইউক্রেন সীমান্তে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। এছাড়া ট্রেনে করেও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে চেক রিপাবলিক।
ইউক্রেনীয় সেনা কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশ থেকে আসা সামরিক সরঞ্জাম বুঝে নিতে এরইমধ্যে পোল্যান্ডে পৌঁছেছেন। এর আগে, ইউক্রেনীয় বাহিনীকে গোলাবারুদ, অস্ত্র, জ্বালানী ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করে পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও লাটভিয়া। সোমবার আড়াই হাজার রাইফেল, দেড় হাজার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ইউক্রেনে পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফিনল্যান্ড। বড়সর অস্ত্র ও সহায়তা প্যাকেজ প্রস্তুত রেখেছে সুইডেনও।
এছাড়া, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার ইউক্রেনকে ৩৫ কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র সহায়তার ঘোষণা দেন। আর এক হাজার ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ও পাঁচশ বিমান বিধ্বংসী স্টিংগার ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি।
আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























