পাটপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ২০১৬ সালে পাটকে প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্তির নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের দুই বছর পরও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়নি পাট। ফলে রপ্তানিতে নগদ সহায়তা ও কম সুদে ব্যাংক ঋণ পাচ্ছেনা উদ্যোক্তারা। এজন্য অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দায়ী বলে অভিযোগ করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। সকালে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সেমিনারে তিনি এ অভিযোগ করেন।

তা হলে পণ্য রপ্তানিতে ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা পাবেন ব্যবসায়ীরা। দুই বছরে এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক, কৃষি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ে কয়েক দফায় চিঠি চালাচালি হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিন বছরে পাটের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ ভাগ। গত অর্থবছরে পাটপণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সমন্বিত পরিকল্পনা নিলে পাঁচ বছরে রপ্তানি পাঁচগুণ বাড়ানো সম্ভব।

পাট থেকে ২৪০ ধরণের পণ্য উৎপাদন করছে বেসরকারি খাত। অথচ সরকারি পাটকলগুলোর শোচনীয় অবস্থা। বিজেএমসি বলছে, দক্ষ লোকবলের অভাব আর মজুরি বৈষম্যই এর কারণ।
পাট নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে ২ বছর ধরে ৬ মার্চ পালিত হচ্ছে জাতীয় পাট দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে