![]()
মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মিয়ানমারের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এর আওতায় রয়েছে জান্তা সরকারের মন্ত্রী ও কর্মকর্তাসহ ২২ জন ব্যক্তি এবং ৪ প্রতিষ্ঠান। নিষেধাজ্ঞা আরোপিত ব্যক্তিদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ নানা ইস্যুতে জান্তা সরকারের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইইউ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট ২২ ব্যক্তি এবং ৪ প্রতিষ্ঠান। গত বছর সেনা অভ্যুত্থানের পর এ নিয়ে চতুর্থবারের মত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ইইউ। নিজেদের ওয়েবসাইটে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন জানিয়েছে, ২২’জনের মধ্যে জান্তা সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী, জাতীয় প্রশাসনিক কাউন্সিলের একজন সদস্য, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কয়েকজন সদস্য এবং সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা রয়েছেন। আর নিষেধাজ্ঞা দেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর আর্থিক সম্পর্ক অথবা সেনাবাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ব তেল গ্যাস প্রতিষ্ঠান, যা জান্তা সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম উৎস। মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের পর চার ধাপে এখন পর্যন্ত ৬৫’জন ব্যক্তি ও ১০টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
এদিকে, সামরিক অভ্যুত্থান বিরোধীদের সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আখ্যা দিয়ে তাদের সাথে আলোচনায় না বসতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর জোট আসিয়ানের বিশেষ দূতকে আহ্বান জানিয়েছে জান্তা সরকার। অভ্যুত্থান বিরোধীদের সাথে আলোচনায় বসতে আসিয়ানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ১০’দেশের আঞ্চলিক জোটের একাধিক সদস্য। তবে এ আহ্বানের সমালোচনা করেছে জান্তা সরকার।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























