কুড়িগ্রামে এবারের বন্যায় ৮৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিদ্যালয়গুলো থেকে পানি নেমে গেলেও রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। এছাড়া ৫টি বিদ্যালয় নদীতে ভেঙে যাওয়ায় ওই সকল প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।ফরিদপুরে বন্যায় ৫৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পানি না নামায় বিকল্প ব্যবস্থায় চলছে পাঠদান। এদিকে পানিবন্দি থাকার কারণে এখনও পাঠদান শুরু করতে পারেনি রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার চর আফ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে বন্যার পানি নামলেও কাদামাটি পেরিয়ে দুর্ভোগ নিয়ে ক্লাসে আসছে পদ্মাপারের প্রায় ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা।
মানিকগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখনও বিদ্যালয়ের আঙিনায় বন্যার পানি থাকায় দুর্ভোগ নিয়েই হাজির হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। টাঙ্গাইলের বাসাইল, মির্জাপুর উপজেলায় বন্যার পানি নেমে গেলেও অন্তত ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে।
অনলাইন নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইমস নিউজ



























