কম ঝুঁকির ব্যবসা হিসেবে পশু পালনে আগ্রহী হয়ে উঠছেন দেশের শিক্ষিত এবং বিত্তবান পরিবারের সদস্যরা। অনেকে শখ করে শুরু করলেও এখন পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক খামারী। মুনাফা পেতে সময় লাগলেও ধৈর্য্য নিয়েই সময় দিচ্ছেন পশু পালনে। দেশীয় উদ্যোক্তাদের হাত ধরে দেশ মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ন হলেও এখানো প্রায় ৪০’লাখ মেট্রিক টন দুধ উৎপাদনের ঘাটতি রয়েছে।

আজম খান একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি। তবে বর্তমানে তিনি রাজনীতির চেয়ে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতেই বেশি মনোযোগী। রাজধানীর অদূরে গাজীপুরের পূবাইলে গড়ে তুলেছেন একটি সমন্বিত খামার। নিজস্ব রিসোর্টের জীববৈচিত্রের সাথে বিভিন্ন পশুপাখি থাকলেও গতবছর থেকে সেখানে যুক্ত হয়েছে একটি গরুর খামার। অনেকটা শখের বসে এই খামার করলেও এখন তা বাণিজ্যিক রূপ নিয়েছে। আগামীতে এই খাতে বিনিয়োগ বাড়াবেন বলে জানান এই উদ্যোক্তা। একই চিত্র মনসুর হোসেন এবং ফারহানা সালাম ছন্দা দম্পতির। ব্যবসা ও শিক্ষকতায় দু’জনই প্রতিষ্ঠিত। বছর পাঁচেক আগে শখের বসে গড়ে তুলেছিলেন খামার। শখের সেই উদ্যোগই এখন শতাধিক গরু এবং ছাগলের খামারে রূপ নিয়েছে।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মস এসোসিয়েশনের তথ্যমতে, উদিয়মান এই খাতে সরাসরি জড়িত ৫০ লাখ মানুষ। এখনই স্থানীয় বাজারের চাহিদার অতিরিক্ত প্রায় তিন লাখ টন মাংস উৎপাদন করছে তারা। শুধু মাংস নয়, বছরে ১ কোটি ৫০ লাখ মেট্রিকটন দুধের চাহিদার বিপরীতে দেশে ১ কোটি ৫ লাখ মেট্রিকটন দুধ উৎপাদন হচ্ছে দেশের খামারগুলোতে।

নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে