

রাজধানীর এয়াপোর্ট থেকে গাজীপুর পর্যন্ত ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এমন বেহাল। খানাখন্দে ভরা সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। চার বছর মেয়াদি বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের কাজ ২০১২ সালে শুরু হলেও সাড়ে ৮’বছরে শেষ হয়েছে মাত্র ৬০’ভাগ কাজ। কাজের ধীর গতি ও সড়কের পাশে নির্মাণ সামগ্রী রাখাসহ, ড্রেনেজের কাজ চলায় অনেক জায়গায় এক লেনে চলছে গাড়ি। ছোট-বড় গর্তের কারণে চলাই কঠিন হয়ে পড়েছে। যখন-তখন লেগে যায় যানজট। বৃষ্টি হলে চরমে পৌঁছে ভোগান্তি।
গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট সড়ক বেহাল বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পের কাজে ধীরগতি আর খোঁড়াখুড়িতে। গন্তব্যে পৌঁছাতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি সময় লাগছে এই পথ ব্যবহারকারীদের। আপাতত জনদুর্ভোগ কমাতে ট্রেনে বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।
ট্রাফিক পুলিশ বলছে, সড়কজুড়ে খানাখন্দের কারণে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বেহাল সড়ক নিয়ে ফেসবুকে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং যুব, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্পষ্ট সমন্বয়হীনতা দেখছেন তিনি। জনদুর্ভোগ কমাতে আপাতত ট্রেনে বিকল্প যাতায়াতের ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন যুব, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
যানজটের ভোগান্তি থেকে মানুষকে মুক্তি দিতেই নেয়া হয়েছিল বিআরটি প্রকল্প। কিন্তু, নির্মাণ কাজের ধীরগতিতে এই প্রকল্পই সড়কে যানজটের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নিউজ ডেস্ক ।। বিডি টাইম্স নিউজ



























