অবৈধ অর্থ লেনদেন বা হুন্ডির সঙ্গে জড়িত বিকাশের তিন হাজার এজেন্টের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। তাদের তথ্য অনুযায়ী বিদেশে অবস্থানরত চোরাকারবারিরা এদের মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ অবৈধ পথে দেশে পাঠাচ্ছে। দেশের ভেতরে মাদক চোরাকারবারিরাও বিকাশে অর্থ লেনদেন করছে।
প্রত্যন্ত অঞ্চলের অতি সাধারণ মানুষও যখন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই প্রশ্নবিদ্ধ বিকাশের ২ হাজার ৮৮৭ এজেন্টের কার্যক্রম। লেনেদেনের তথ্য সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সিআইডির কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে সিআইডি।
তদন্তের প্রথম ধাপে ঢাকায় একটি ও সারা দেশে অতি সন্দেহভাজন ২৫টি একাউন্ট চিহ্নিত করেছে সিআইডি। হুন্ডি ও মাদকের অর্থ লেনদেনে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় এরিমধ্যে সাত এজেন্ট গ্রেপ্তার ও আট এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অসাধু এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের দুর্বলতা দূর করে একে আরো বিস্তৃত করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ হাজার টাকার বেশি অর্থ লেনদেনে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিকাশ এজেন্টের সামনে উপস্থিত হতে হবে। সিআইডি বলছে, এ শর্ত মানছে না বেশিরভাগ এজেন্ট। বিকাশ কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়মের বাইরে লেনদেনকারী এজেন্টদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে তারা তৎপর। দ্রুত অনিয়ম দুর করে অর্থ লেনদেনে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সার্ভিস চার্জ কমানোর তাগিদ বিশেজ্ঞদের।
অনলাইন ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























