অনলাইন লেনদেনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্রিপ্টো কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। কোন নিয়ন্ত্রণ না থাকায় এটি ব্যবহারে সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ভাচুর্য়াল মুদ্রা বন্ধ না করে নীতিমালার মধ্যে আনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

বিটকয়েন, লেনদেনের সাংকেতিক মুদ্রা। ২০০৮ চালু হওয়া এই কয়েন মাইনার নামে সার্ভারে সুরক্ষিত থাকে। একাধিক কম্পিউটার বা ফোনের মাধ্যমে লেনদেন হলে মূল সার্ভার হালনাগাদ করে ব্যবহারকারীর লেজার। বিটকয়েন, ইথেরিয়াম, রিপ্পেল ও লিটকয়েনসহ বিশ্বে প্রায় আটশ ভার্চুয়াল মুদ্রা রয়েছে। বাংলাদেশেও স্বপ্ল পরিসরে ব্যবহার হচ্ছে এসব মুদ্রা। প্রায় এগারো লাখ টাকা দামের বিটকয়েন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই কয়েনের দাম দ্রুত ওঠানামা করায় লেনদেন ও প্রচারণায় সতর্ক থাকার পরামর্শ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। অনেক দেশ ডিজিটাল মুদ্রার নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এদেশেও তাই করা উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এ কে এম নজরুল হায়দার জানান,অ্যামাজন, ই-বে, মাইক্রোসফট থেকে কেনাকাটা করা যায় বিটকয়েনে।

অন্যান্য মুদ্রা ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ভার্চুয়াল মুদ্রার কোনো নিয়ন্ত্রণ সংস্থা নেই। সারা বিশ্বে প্রায় ৬০ লাখ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিটকয়েন ওয়ালেট রয়েছে।

নিউজ ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে