আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর। একসময় এ বন্দর থেকে সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব আয় হলেও এখন তা শুন্যের কোঠায়। অন্যদিকে বন্দর অচল হয়ে পড়ায় বেকার হয়ে পড়েছে এখানকার শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা।
একসময় নাকুগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের পণ্য আমদানি-রপ্তানি হতো। কিন্ত ২০০১ সালে সরকারি নির্দেশনায় শুধুমাত্র কয়লা ও পাথর বাদে বন্ধ করে দেয়া হয় অন্যসব পণ্য আমদানী। তবে রপ্তানি সচল রাখা হয়। গত এক বছর আগে ভারতের নতুন করারোপের ফলে এ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যায়। গত বছর দেড় কোটি টাকার রাজস্ব আদায় হলেও এবছর তা নমে এসেছে শুন্যের কোঠায়। বেকার হয় পড়েছে শত শত শ্রমিক ।
২০১২ সালে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাউজ ওয়ার নির্মাণসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন করে নাকুগাঁওকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর করে সরকার। কিন্তু উদ্যোগ নেয়া হয়নি এ স্থলবন্দর সচল করার। ফলে চাহিদা মতো কয়লা-পাথর না দেয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে পাওনা টাকাও তুলতে পারছে না ব্যবসায়ীরা।
জেলা প্রশাসন বলছে, শেরপুরে অর্থনৈতিক অঞ্চল করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আর তা হলে এ স্থলবন্দর দিয়েই মালামাল আমদানি-রপ্তানি করা হবে।শেরপুরের ব্যবসায়ীরা বারবার এনবিআর ও সরকারের মন্ত্রীদের কাছে ভারত থেকে সব ধরনের পণ্য আমদানির চেয়ে আবেদন করলেও কোন সাড়া মেলেনি।
ন্যাশনাল ডেস্ক, বিডি টাইম্স নিউজ



























