সপ্তাহ খানেক পরেই রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। তাই সাজসজ্জায় চলছে শেষ মূহুর্তের ব্যস্ততা। এবারের মেলায় বিদেশি ৪৭টি ছোট বড় প্যাভিলিয়নসহ থাকছে ৫৪০টি প্যাভিলিয়ন। মেলা আয়োজনের ৭৫ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো-ইপিবি। গতবারের মতো এবারও রপ্তানি আদেশের লক্ষ্য পূরণ হবে বলে আশাবাদি আয়োজকরা।

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৩তম আসরের পর্দা উঠবে নতুন বছরের পহেলা জানুয়ারি। ওই দিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেলার উদ্বোধন করবেন। মেলায় অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ২৪টি দেশ। দর্শক-ক্রেতার নজর কাড়তে প্রতি বছরের মতো এবারো স্টল-প্যাভিলিয়ন আকর্ষণীয় করে তৈরি করছে দেশি-বিদেশি বিক্রেতারা। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সাজসজ্জার কাজ শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদী তারা।
দেশের রপ্তানী খাতকে সমৃদ্ধ করতেই বাণিজ্য মেলার আয়োজন। ইপিবি তথ্য অনুসারে, চার বছরে মেলায় রপ্তানী আদেশ বেড়েছে দেড়শো কোটি টাকারও বেশি। এবার ২৫০ কোটি টাকার রপ্তানী আদেশ পাওয়া যাবে- এমনটাই আশা করছে ইপিবি।

এবারের মেলায় ডিজিটাল এক্সপেরিয়েন্স সেন্টার, ইকোপার্কসহ নতুন অনেক কিছু থাকছে। মেলায় অব্যবস্থাপনা রোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি করবেন বলে জানিয়েছে আয়োজকরা।

অর্থনীতি ডেস্ক, বিডি টাইম্‌স নিউজ

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে